মে মাসেই করোনার ওষুধ উৎপাদন করবে বেক্সিমকো
করোনা ভাইরাসের আক্রমনে অসহায় পৃথিবী । আক্রান্ত হচ্ছে লাক্ষ লাক্ষ , মারা যাচ্ছে হাজার হাজার । কেউ কিছু করতে পারছে না ।
এর মধ্যে গত গত ২৯ এপ্রিল হোয়াইট হাউসে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে রেমডেসিভিরের কার্যকারিতার ‘সুস্পষ্ট প্রমাণ’ পাওয়ার কথা জানান যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজ’র পরিচালক এবং রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বিশেষজ্ঞ ডা. অ্যান্থনি ফাউচি। পরে ১ মে রেমডেসিভিরকে ‘জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন’ দেয়।
এবার যুক্তরাষ্ট্রকে অনুসরণ করে বাংলাদেশও এ ওষুধ প্রয়োগ করতে যাচ্ছে। এ জন্য দেশের বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে ঔষধটি উৎপাদনের অনুমতি দেয় সরকার । অনুমতি পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বেক্সিমকো একটি । তারা মে মাস থেকেই রেমডেসিভির উৎপাদন শুরু করছে। এমন খবর বেরিয়েছে রয়টার্স ও নিউইয়র্ক টাইমসের মতো আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোতে ।
এদিকে বেক্সিমকো’র চিফ অপারেটিং অফিসার রব্বুর রেজা জানিয়েছেন, আশা করি চলতি মে মাসের মাঝামাঝিতে আমরা ওষুধটি বাজারজাত করার অনুমতি পাবে । তারপর থেকে সরকারের মাধ্যমে বিতরণের জন্য ওষুধটি বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন করবো আমরা। এই ওষুধ ইনজেকশন হিসেবে মানুষের শিরায় প্রয়োগ করতে হয়। প্রতি ডোজ ওষুধের দাম পড়বে ৫-৬ হাজার টাকা। আর গুরুতর অসুস্থ রোগীদের ক্ষেত্রে মোট ৫ থেকে ১১ ডোজ ওষুধ প্রয়োগের প্রয়োজন হতে পারে। তবে এটি এখনও নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না ।
এদিকে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে, বেক্সিমকো ডোজ প্রতি ওষুধের যে দাম নির্ধারণ করছে তাতে ২৪ থেকে ৬৫ হাজার টাকা কিংবা তারও বেশি খরচ হতে পারে একজন রোগীর সুস্থ হতে । যদিও এখনও ওষুধটির দাম নিয়ে কোনও ঘোষণা দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র ।
এর মধ্যে গত গত ২৯ এপ্রিল হোয়াইট হাউসে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে রেমডেসিভিরের কার্যকারিতার ‘সুস্পষ্ট প্রমাণ’ পাওয়ার কথা জানান যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজ’র পরিচালক এবং রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বিশেষজ্ঞ ডা. অ্যান্থনি ফাউচি। পরে ১ মে রেমডেসিভিরকে ‘জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন’ দেয়।
এবার যুক্তরাষ্ট্রকে অনুসরণ করে বাংলাদেশও এ ওষুধ প্রয়োগ করতে যাচ্ছে। এ জন্য দেশের বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে ঔষধটি উৎপাদনের অনুমতি দেয় সরকার । অনুমতি পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বেক্সিমকো একটি । তারা মে মাস থেকেই রেমডেসিভির উৎপাদন শুরু করছে। এমন খবর বেরিয়েছে রয়টার্স ও নিউইয়র্ক টাইমসের মতো আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোতে ।
এদিকে বেক্সিমকো’র চিফ অপারেটিং অফিসার রব্বুর রেজা জানিয়েছেন, আশা করি চলতি মে মাসের মাঝামাঝিতে আমরা ওষুধটি বাজারজাত করার অনুমতি পাবে । তারপর থেকে সরকারের মাধ্যমে বিতরণের জন্য ওষুধটি বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন করবো আমরা। এই ওষুধ ইনজেকশন হিসেবে মানুষের শিরায় প্রয়োগ করতে হয়। প্রতি ডোজ ওষুধের দাম পড়বে ৫-৬ হাজার টাকা। আর গুরুতর অসুস্থ রোগীদের ক্ষেত্রে মোট ৫ থেকে ১১ ডোজ ওষুধ প্রয়োগের প্রয়োজন হতে পারে। তবে এটি এখনও নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না ।
এদিকে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে, বেক্সিমকো ডোজ প্রতি ওষুধের যে দাম নির্ধারণ করছে তাতে ২৪ থেকে ৬৫ হাজার টাকা কিংবা তারও বেশি খরচ হতে পারে একজন রোগীর সুস্থ হতে । যদিও এখনও ওষুধটির দাম নিয়ে কোনও ঘোষণা দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র ।

কোন মন্তব্য নেই
Please do not enter any spam link in the comment box.
Thank you