গুজব থেকে সাবধান, রক্তাক্ত ছবিটি ত্রাণ চেয়ে মার খাওয়া সেই কৃষকের নয়
নাটোরে খাদ্য সহায়তা চেয়ে নির্যাতিত কৃষকের ভুয়া ছবি ভাইরাল করে গুজব ছড়ানোর চেষ্টা করছে একটা শ্রেণি। এমন দাবি শুধু জেলা পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তার নয়, খোদ নির্যাতিত কৃষক শহিদুলেরও। অন্যদিকে অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও দলীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানাগেছে।
ত্রাণ চেয়ে মার খেয়ে রক্তাক্ত এক কৃষকের ছবি এখন ঘুরছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। নাটোরের লালপুরের কৃষক মার খেয়েছেন ঠিকই। তবে যেই ছবিটি শহিদুলের বলে ছড়ানো হচ্ছে সেটি তার নয় বলে দাবি করলেন নির্যাতিত কৃষক।
নাটোর পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা বলেন, ভাইরাল হওয়া ছবি ওই কৃষকের নয় বলে নির্যাতিত কৃষক আমাদের জানিয়েছেন। আমরা এই ব্যাপারটা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি।
গত ১০ এপ্রিল আঙ্গারিপাড়া এলাকার কৃষক শহিদুল ৩৩৩ কল করে গ্রামবাসীর জন্য খাদ্য সহায়তা চান। লালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা চেয়ারম্যানকে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। এরপর গত ১২ এপ্রিল চেয়ারম্যান ওই কৃষক শহিদুলকে ডেকে নিয়ে মারধর করেন।
বুধবার দুপুরে লালপুর থানায় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার, ইউপি সদস্য রেজা ও গ্রাম পুলিশ রুবেলকে অভিযুক্ত করে মামলা করেন শহিদুল। এদিকে স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন গত সোমবার অভিযুক্ত চেয়ারম্যানকে কারণ দর্শাতে বলে।
লালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ ও স্থানীয় সরকার মোতাবেক যে আইন আছে, সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ত্রাণ চেয়ে মার খেয়ে রক্তাক্ত এক কৃষকের ছবি এখন ঘুরছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। নাটোরের লালপুরের কৃষক মার খেয়েছেন ঠিকই। তবে যেই ছবিটি শহিদুলের বলে ছড়ানো হচ্ছে সেটি তার নয় বলে দাবি করলেন নির্যাতিত কৃষক।
নাটোর পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা বলেন, ভাইরাল হওয়া ছবি ওই কৃষকের নয় বলে নির্যাতিত কৃষক আমাদের জানিয়েছেন। আমরা এই ব্যাপারটা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি।
গত ১০ এপ্রিল আঙ্গারিপাড়া এলাকার কৃষক শহিদুল ৩৩৩ কল করে গ্রামবাসীর জন্য খাদ্য সহায়তা চান। লালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা চেয়ারম্যানকে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। এরপর গত ১২ এপ্রিল চেয়ারম্যান ওই কৃষক শহিদুলকে ডেকে নিয়ে মারধর করেন।
বুধবার দুপুরে লালপুর থানায় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার, ইউপি সদস্য রেজা ও গ্রাম পুলিশ রুবেলকে অভিযুক্ত করে মামলা করেন শহিদুল। এদিকে স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন গত সোমবার অভিযুক্ত চেয়ারম্যানকে কারণ দর্শাতে বলে।
লালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ ও স্থানীয় সরকার মোতাবেক যে আইন আছে, সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কোন মন্তব্য নেই
Please do not enter any spam link in the comment box.
Thank you