ফরিদপুরে এসিল্যান্ডের হস্তক্ষেপে থামল সংঘর্ষ, আহত ১২


ফরিদপুরের সদরপুর-ভাঙ্গা উপজেলার সীমান্তবর্তী সরকারি জায়গায় দোকান ঘর উঠানোকে কেন্দ্র করে দুইপক্ষের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ১২ জন আহত হয়েছে।
খবর পেয়ে সদরপুর এসিল্যান্ড সজল চন্দ্র শীল ও ভাঙ্গার এসিল্যান্ড মো. আলামিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে মাইকিংয়ের মাধ্যমে সবাইকে শান্ত হতে বলেন। এরপর পরিস্থিতি শান্ত হয়। 
১৩ এপ্রিল দুপুরে সদরপুর ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম বাবুল ও নাসিরাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান লাবলুর সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষে উভয়পক্ষের ১২ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে গুরুতর আহত অবস্থায় ৬ জনকে সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সদরপুর ইউনিয়নের চর ব্রাহ্মনদি ও ভাঙ্গা উপজেলার নাসিরাবাদ ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী ভেন্নাতলি বাজারে সরকারি জায়গায় ঘর তোলাকে কেন্দ্র করে দুইপক্ষের মাঝে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করে। এক পর্যায়ে উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে একে অপরের ওপর হামলা চালায়। এ সময় উভয়পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলায় ১২ জন আহত হন। সংঘর্ষের খবর পেয়ে সদরপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সজল চন্দ্র শীল ও ভাঙ্গা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল আমিন ঘটনাস্থলে পুলিশ নিয়ে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
পরে সদরপুর ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম বাবুল ও ভাঙ্গা উপজেলার নাছিরাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান লাবলু এলাকায় শান্তি রক্ষার্থে মুচলেকা দিলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিরোধ নিস্পত্তি করা হয়।
এ বিষয়ে সদরপুর সহকারী কমিশনার (ভূমি) সজল চন্দ্র শীল বলেন, আজকে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সদরপুর-ভাঙ্গা সীমানার দুই ইউনিয়নের (সদরপুর ও চর নাসিরাবাদ) সীমান্তে ভেন্নাতলি বাজারে রাস্তার পাশে সরকারি জায়গায় দোকান উঠানোকে কেন্দ্র করে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ চলে। এতে সদরপুরের বেশ কয়েকজন আহত হন এবং বাড়িতে হামলা চালানো হয়। খবর পেয়ে আমি গিয়ে পুলিশসহ মাইকিং করে পরিস্থিতি শান্ত করে উভয়পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে দেই। কিছুক্ষণ পরে ভাঙ্গার এসিল্যান্ড এবং আমি উভয় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, মেম্বার সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে শান্তি রক্ষার মুচলেকা নেই। এবং উভয় ইউনিয়নের চেয়ারম্যানকে দায়িত্ব দেয়া হয় যাতে উভয়ের কেউ আর সংঘর্ষে লিপ্ত না হয়। পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে। পুলিশ মোতায়েন আছে।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সময় মতো আমরা না পৌঁছালে মার্ডারের মতো ঘটনা ঘটে যেত। উভয়পক্ষই দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছিল।

কোন মন্তব্য নেই

Please do not enter any spam link in the comment box.
Thank you

Blogger দ্বারা পরিচালিত.